Friday, September 13, 2013

Justice Mohammad Fazlul Karim


সাবেক প্রধান বিচারপতি পটিয়ার সন্তান মুহাম্মদ ফজলুল 

করিম এর জীবনী....

২০১০ সালের ০৮ ফেব্রুয়ারী দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে মোহাম্মদ ফজলুল করিমকে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নিয়োগ দেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ তাফাজ্জাল ইসলাম ৭ ফেব্রুয়ারি অবসরের পর সুপ্রিমকোর্ট বাংলাদেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে মুহাম্মদ ফজলুল করিম নিয়োগ পান এবং ২০১০ সালের ৩০সেপ্টেম্বর ১৯তম বিচারপতির পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। বিচারপতি মুহাম্মদ ফজলুল করিম এর অবসরের পর ২০তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে এ.বি.এম. খাইরুল হক নিয়োগ পান।
বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিম ১৯৪৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পটিয়া পৌরসভার সুচক্রদন্ডী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম আহমেদ কবীর, মায়ের নাম মরহুম সুনিয়া আরা বেগম এবং বাংলা সাহিত্যের পুথিঁ সাধক মুন্সি আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ হচ্ছেন তার চাচা।
তিনি ১৯৫৮ সালে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তত্কালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ১৯৬০ সালে আইএ ও ১৯৬২ সালে বিএ পাস করেন।
তিনি ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি ও ১৯৬৯ সালে লন্ডনের লিংকন ইন থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৫ সালে আইনজীবী হিসেবে চট্টগ্রাম বারের সনদ লাভ করেন তিনি। ১৯৭০ সালে তিনি হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। এরপর ১৯৭৯ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তিনি তালিকাভুক্ত হন। বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিম ১৯৮২-১৯৮৪ মেয়াদে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন।
এ ছাড়াও তিনি নয়াদিল্লীভিত্তিক জুডিশিয়াল এডুকেশন অন জেন্ডার ইকুয়ালিটি ইস্যুর এশিয়া প্যাসিফিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। আদালতের প্রশাসন ও মামলা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও নেপাল সফরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
তিনি ১৯৯২ সালের ১ নভেম্বর হাইকোর্টের অস্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এর দুই বছর পর ১৯৯৪ সালের ১ নভেম্বর তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। তিনি ২০০১ সালের ১৫ মে আপিল বিভাগের বিচারপতি নিযুক্ত হন।

তথ্যসূত্র: Supreme Court of Bangladesh justices

Wednesday, August 14, 2013

Our MP


মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সামশুল হক চৌধুরীর পরিচিতি


পিতা
-
নুরুল করিম চৌধুরী
মাতা
-
ছপুরা করিম চৌধুরী
দল
-
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ
মেয়াদ
-
প্রথম
জন্ম তারিখ
-
২০.০৭.১৯৫৭
পেশা
-
শিল্পপতি

শিক্ষাগত যোগ্যতা
-
বি.কম
ঢাকার  ঠিকানা
-
ফ্লাট-৫০২, বিল্ডিং-৩, সংসদ সদস্য ভবন, নাখালপাড়া, ঢাকা-১২১৫।
স্থায়ী ঠিকানা
-
গ্রাম- রশিদাবাদ, ডাকঘর - শোভনদন্ডী, উপজেলা- পটিয়া জেলা-চট্টগ্রাম।
পটিয়া কার্যালয়
-
নতুন পূবালী ব্যাংকের উপরে, মুনসেফ বাজার, পটিয়া, চট্টগ্রাম।
দুরালপনি
-
মুঠোফোনঃ ০১৮১৯০৭৬৭৫৬, ০১৭১১১১৩২৬৩
কার্যালয়ঃ০৩১-২৮৫৪০৪৪ এক্সটেনশন-০১
বাসাঃ ৯১৩১১০০ এক্সটেনশন-৩৭৩৮
ফ্যাক্স
-
০৩১-৭২৫৫৩৪
ওয়েব
-
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
-
২৮৮ চট্টগ্রাম-১১
ফলাফল প্রাপ্ত ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা
-
৯৮/৯৮
সর্বশেষ ফলাফল প্রাপ্তির সময়
-
২০০৯-০১-০১ ১১:৩৮:২০

ক্রমিক নং
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নাম
বরাদ্দকৃত প্রতীক
প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা
১।
সামশুল হক চৌধুরী
নৌকা
১০৩,৮৬৯
২।
গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান
ধানের শীষ
৭৫,১৫৬
৩।
গাজী মুহাম্মদ মনজুরুল করিম
মোমবাতি
৫,৯৩৬
৪।
চন্দ্রশেখর নাথ
কুঁড়ে ঘড়
১,৩৪৪
৫।
সাইফুদ্দিন মোহাং ইউনুচ
মই
৫৭২
৬।
এ.এফ.এম. শাহ আলম
কাস্তে
৫২৮
৭।
না ভোট

৯৩৩

Saturday, July 13, 2013

Meah Faruki, Prime Minister, Sheikh Hasina's Wedding Witnesses


শেখ হাসিনার বিয়ের সাক্ষী ফারুকীর খবর রাখেনা কেউ!

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিয়ের সাক্ষী পটিয়ার প্রবীণ আ’লীগ নেতা মিয়া আবু মোহাম্মদ ফারুকীর খবর রাখেনা কেউ। তিনি আক্ষেপ করে বলেন সারা জীবন আ’লীগের জন্য কাজ করেছি। এর বিনিময়ে কারো কাছ থেকে কিছু চাওয়া পাওয়ার ছিল না। বঙ্গবন্ধুকে ভালবেসে রাজনীতি করেছি। এ সময়ে এসে রাজনৈতিক কোন নেতা কর্মী তার কোন খোজ খবর নেননা। তিনি ১৯৫২ সালের অবিভক্ত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলা আ’লীগের প্রচার সম্পাদক ছিলেন।
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে চট্টগ্রামের মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলে ভর্তি হই। ১৯৫১ সালে মেট্রিক পাস করি। এর পর আর পড়া লেখা করার সুযোগ হয়নি। পারিবারিক রাজনীতির সুত্রধরে আ’লীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ি। ১৯৪৯ আওয়ামী মুসলিম লীগে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে আসা।
এর আগে ছাত্র অবস্থায় মুসলিম ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলাম। এরপর পটিয়া থানা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরে অবিভক্ত চট্টগ্রাম জেলা আ’লীগের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৬৮ সালে শেখ হাসিনার বিয়ের স্বাক্ষী ছিলেন এ আ’লীগ নেতা। বঙ্গবন্ধু ছিলেন তখন কারাগারে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার আক্দ অনুষ্ঠান শেষ করে এম এ আজিজ, আব্দুল্লাহ আল হারুন, এম এ হান্নান সবাই কারাগারে বঙ্গবন্ধুকে দেখতে যায়। কারাগারে গিয়ে শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুকে পায়ে ধরে সালাম করে কাঁদছিলেন।
তখন বঙ্গবন্ধু বলেন তুমি কাঁদছো কেন? আমি তোমাকে কিছু দিতে পারিনি বলে? বঙ্গবন্ধু তখন তাদের দেখিয়ে দিয়ে বলেন তোমার চাচারাই তোমার বিয়ের আয়োজন করবে। তোমার বিয়ের অনুষ্ঠান চট্টগ্রামেই হবে।
এর এক সপ্তাহ পর চট্টগ্রামের রাইফেল ক্লাবে বিবাহ অনুষ্টানের তারিখ পড়ে। আর তারিখটি হলো ১৯৬৮ সালের ১৯ এপ্রিল। চট্টগ্রাম আ’লীগের পক্ষ থেকে তার বিয়েতে উপহার হিসেবে একটি পাঁচ হাজার টাকা দামের মাজদা কার ও দশ ভরি ওজনের স্বর্ণের সেট প্রদান করা হয়।
রাজনীতি করতে গিয়ে কয়েকবার কারাবরণও করতে হয়েছে তাকে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় মিছিল থেকে তিনি গ্রেফতার হন। তিনমাস কারাভোগের পর বের হয়ে তিনি রাজনৈতিক কার্যক্রম করার সময় আরো কয়েকবার গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন প্রবীণ এ নেতা।
তিনি জানান ১৯৭৩ সালে তিনি বৃহত্তর পটিয়া থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থীর হওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুর কাছে যান। তখন পটিয়া থেকে আরেক মনোনয়ন প্রার্থী ছিল অধ্যাপক নুরুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধু তখন তাকে জানান, তুমি যদি প্রার্থী হও তা হলে প্রচারের মত এ গুরু দায়িত্ব পালন কারো দ্বারা সম্ভব হবেনা। বঙ্গবন্ধু আরো বলেন ফারুকী তুমি এবার নুরুল ইসলামকে ছেড়ে দাও। আমি বেঁচে থাকলে এর পরবর্তী তোমাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। এর পর ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর তার সে স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়।
বঙ্গবন্ধুকে ভালবেসে এ পর্যন্ত শুধুমাত্র তাকে নিয়েই এক হাজারের উপর লেখা লিখেছি। আ’লীগের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করার সুবাদে তিনি লেখালেখিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। এ পর্যন্ত বিভিন্ন দৈনিক, সাপ্তাহিক, বিভিন্ন ম্যাজিন ও সামায়িকীতে তার নিজের তিন হাজারের অধিক লেখা ছাপা হয়। তিনি জানান ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী তাঁকে না পেয়ে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় তার ঘরে ৮টি আলমারীতে রক্ষিত কয়েক হাজার বই পুড়িয়ে দেয়। বর্তমানেও আলমারীতে তরে তরে সাজানো রয়েছে প্রায় সাত আট হাজার বিভিন্ন ধরণের বই। এখনো লেখালেখি আর বইয়ের যত্ন নেওয়ার মধ্যেই সময় কাটছে প্রায় ৮০ বছর বয়সী এ প্রবীণ রাজনীতিকের।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, কোন রাজনৈতিক নেতা কর্মী তার খোজখবর নেয়না। শুধু মাত্র আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আতাউর রহমান খান কায়ছার বেঁচে থাকার সময় প্রায়শ তিনি খোজখবর নিতেন। রাজনীতি করেছি আদর্শ নিয়ে। কিছু পাবার জন্য নয়। জাতিকে কি দিতে পেরেছি সেটাই বড়। স্বাধীনতার পর কোন নেতা কর্মী বা রাজনৈতিক দল থেকে ২টা টাকাও গ্রহণ করিনি। নিজের জায়গাজমি বিক্রি করেই ৫ কণ্যা সন্তানের বিয়ে দিয়েছি।
৮১ বছরে পা রাখছেন মিয়া মোহাম্মদ ফারুকী। আগামী ৮ফেব্রুয়ারী জম্মদিন পালন করার মাধ্যমে ৮১ বছর বয়স পূর্ণ করতে যাচ্ছেন এ প্রবীণ রাজনীতিক। ইতোমধ্যে বয়সের ভারে ন্যূজ হয়ে পড়েছেন তিনি। চলা ফেরাও ঠিকমত করতে পারেনা তিনি। বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর ক্ষোভে দুঃখে রাজনীতি হতে নিজেকে গুটিয়ে নেন এ রাজনীতিক। সূত্র: সিটিজি টাইমস

Friday, May 31, 2013

I Love My Country (Bangladesh)


“আমার বাংলাদেশ, আমার গর্ব”
আমাদের বাংলাদেশের গর্ব করার মত এখনও অনেক কিছু আছে । একনজরে দেখে নিন আমাদের বাংলাদেশে কত ভাবে বিশ্ব দরবারে স্বীকৃত ।

ছোট্ট একটি দেশ “বাংলাদেশ” তবে গর্ব করার মত এখন অনেক কিছুই আছে যা আমি আপনি অনেকেই জানতাম না ! জেনে নেয়া যাক আজ আমাদের স্বদেশ সম্পর্কে ।

Ø             দূর্নীতিতে বাংলাদেশ আগে ছিল চ্যাম্পিয়ন, কিন্তু এখন ১৩তম!

Ø             বিশ্বের সুখী রাষ্ট্রসমুহের মাঝে বাংলাদেশের অবস্থান ১১তম!

Ø             পৃথিবীর সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর পরিবেশের স্থান কক্সবাজার!

Ø             বৃহত্তর সিলেট এখনও ‘দ্বিতীয় লন্ডন’ হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিত!

Ø             প্রধান ও একমাত্র ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট আমাদের বাংলাদেশেই! (ভারতের অংশটুকুতে বর্তমানে প্রাণী সম্পদ কম।)

Ø             বিশ্বে এখনও সবচেয়ে বেশী পাট উত্‍পাদন আমরাই করি!

Ø             বাংলাদেশ ফ্রীল্যান্সিং এ এখন বিশ্বে ৩য় এবং খুশির খবর হল এই ধারা অব্যাহত থাকলে আমারা ফ্রীল্যান্সি খাতে ২০১৫ এর দিকে ১ম স্থানে চলে আসবো!

Ø             ‘মসজিদের শহর’ এখনও ঢাকা–ই আছে!

Ø             পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত একমাত্র বাংলাদেশেই (কক্সবাজার)!

Ø             আমাদের শহীদ দিবসই স্বীকৃতি পেয়েছে “আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে!

Ø             পৃথিবীর জনপ্রিয় ভাষাগুলোর মাঝে ‘বাংলা’ এখনও ৪র্থ!

Ø             আমরাই পৃথিবীর একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে!

Ø             একমাত্র বাঙ্গালীই এমন জাতি, যারা প্রবাসে থাকলেও নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধরে রাখে!

Ø             পবিত্র হজ্বের পরেই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় মিলনায়তনের স্থান হলো “বিশ্ব ইজতেমা” যা কিনা একমাত্র
Ø             বাংলাদেশেই হয়!

Ø             পবিত্র কাবা’র ৫ ওয়াক্ত নামাজের জন্য নিযুক্ত পাঁচজন ঈমামের মাঝে একজন বাংলাদেশী ! এর চেয়ে বেশি সম্মান আর কোথায় আছে?

Ø             এবারের হজ্বেও স্বয়ং আরবের পরেই সবচেয়ে বেশী সংখ্যক হাজী ছিলেন বাংলাদেশ থেকে!

Ø             পৃথিবীর সয়চেয়ে বড় আর উচ্চতম মন্দির আমাদের বাংলাদেশেই অবস্থিত!

Ø             এখনও প্রতি রমজানে পবিত্র মক্কার মসজিদগুলোতে তারাবীহ এর সালাত পড়ানোর দাওয়াত যারা পান, তাদের দুই– তৃতীয়াংশই বাংলাদেশী!

Ø             ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর অল–রাউন্ডার সাকিব আমাদের দেশেরই!

Ø             বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ হচ্ছে বাংলাদেশ!

Ø             YouTube আবিষ্কারক তিনজনের একজন (জাবেদ করিম) বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত!

Ø             বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ জন মানুষের মধ্যে “খান একাডেমীর” প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত সালমান খান একজন!

Ø             আমাদের বাংলা ভাষা অন্য দেশের ২য় রাষ্ট্রভাষার সম্মান পেয়েছে!

Ø             যুক্তরাজ্যে বাঙালীদেরকে নিয়ে গঠিত হয়েছে “মিনি বাংলাদেশ”!

Ø             চীনে বাঙ্গালীদের জন্য “বাংলাদেশ দিবস” নামে একটি দিন জাতীয়ভাবে পালন করা হয়!

Ø             নিউইয়র্কের সিনেটে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আইন করে বিল পাশ করা হয়েছে!

Ø             আমাদের জাতীয় কবির লিখিত কবিতা তুরস্কের জাতীয় সঙ্গীত!


[অথচ আমরা শুধুই চেঁচাই যে আমাদের কিছুই নাই]

Saturday, May 4, 2013

Pritilata Waddedar Happy birth day cheromony


আজ বীর কন্যা প্রীতিলতার ৮০তম জন্মবার্ষিকী
এম. আমজাদ হোসাইন পটিয়াঃ আজ ৫মে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের মহানায়ক মাষ্টারদা সূর্যসেনের সহযোদ্ধা বিপ্লবী বীর কন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের  ৮০তম জন্মবার্ষিকি।
চট্টগ্রামের ধলঘাট দক্ষিণ সমুরা গ্রামে ১৯১১ সালে ৫ মে জম্ম গ্রহণ করেন বিট্রিশ বিরোধী আন্দোলনের মহানায়ক মাষ্টারদা সূর্য সেনের সহযোদ্ধা ও  প্রথম নারী শহীদ  বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। তাঁর বাবার নাম জগবন্ধু ওয়াদ্দেদার ও মায়ের নাম প্রতিভাময়ী দেবী। তার বাবা ছিলেন চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল অফিসের হেড কেরানী। প্রীতিলতার বাড়ি দক্ষিন সমূরা গ্রামে হলেও তার বাবা থাকতেন বাবার মামার বাড়ি ধলঘাট গ্রামে। তাই তাঁর জম্ম ধলঘাট গ্রামে। পরে বাবার তার পাঁচ ছেলে মেয়েকে নিয়ে থাকতেন চট্টগ্রাম আসকার দীঘির পাড়  এলাকায়।
প্রীতিলতা পড়ালেখা করেছেন ডাঃ খাস্তগীর ইংরেজি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা ইডেন কলেজ ও কলকাতা বেথুন কলেজে। পড়ালেখায় অত্যান্ত মেধাবী ছিলেন তিনি। তিনি পড়া লেখা অবস্থায় ডাঃ খাস্তগীর বালিকা বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষিকা ঊষা চট্রোপাধ্যায়ের ইঙ্গিতে ইডেন কলেজের অধ্যাপিকা নীলিমা বোস তাকে বিপ্লবী দল দীপালী সংঘের সদস্য করার....

Friday, April 5, 2013

BSCIC Industrial City Patiya


পটিয়া বিসিক শিল্পনগরী ৩ 
যুগ পরও পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি
চট্টগ্রামের পটিয়ায় বিসিক শিল্পনগরীর ৩ যুগ পরেও পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। পটিয়ার দক্ষিণাংশে শ্রীমতি খালের তীরে ৩ দশক পূর্বে প্রতিষ্ঠিত হয় পটিয়া বিসিক শিল্পনগরী। এটি উপজেলা পর্যায়ে একটি মডেল হলেও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবে বিশেষ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে পড়ে বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্বেও অবহেলা ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জানা যায়, ১৯৮০-১৯৯০ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে তৎকালীন পটিয়ার শ্রীমতি খালের পার্শ্বে ১০.৫৪ একর জমির ওপর এ বিসিক শিল্পনগরীর প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মধ্যেও মোট বরাদ্দযোগ্য ৮.৪৮ একর জমির মধ্যে ৭৭টি প্লট তৈরি করা হয়। এতে মোট ২২ শিল্প ইউনিট গড়ে তোলেন শিল্প উদ্যোক্তারা। সবকটি প্লটে বিগত ৩০ বছরে ২৩ ইন্ডাস্ট্রি চালু হয়েছে। বর্তমানে ৩য় কর্নফুলী সেতু চালু হওয়ায় এবং পটিয়া চট্টগ্রাম মহানগরীর নিকটবর্তী উপজেলা হিসেবে এখানে আরো নতুন নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে একের পর এক শিল্প উদ্যোক্তারা বিসিক অফিসে ধর্ণা দিচ্ছে। পটিয়া বিসিক প্লট চাহিদার কথা জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে ২ বছর পূর্বে প্রস্তাব পাঠালে তা একবার তদন্ত করে ইন্দ্রপোল শিল্পাঞ্চলে বিসিকের (প্রস্তাবিত) নতুন জোনে প্লট করার আশ্বাস দিলেও অদৃশ্য কারণে বর্তমানে ফাইলটি লাল ফিতায় বন্দী হয়ে আছে। এছাড়াও বিসিকের পার্শ্ববর্তী রেললাইনের সঙ্গে লাগোয়া জমিতেও বিসিক সম্প্রসারণের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু যথাযথ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় পটিয়া বিসিকের সম্প্রসারণ প্রক্রিয়া মুখথুবড়ে পড়েছে। ফলে আগ্রহী শিল্প উদ্যোক্তারা বিনিয়োগের আশা নিয়েও হতাশায় ভুগছে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে শিল্প মালিকরা উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করলেও বর্তমানে এ শিল্প এলাকায় ২০টি ইন্ডাস্ট্রি উৎপাদনে রয়েছে। ২টি রুগ্ণ শিল্প হিসেবে রূপলাভ করলেও ইতোমধ্যে ব্যাংকঋণ পুনঃমঞ্জুর করাতে সক্ষম হওয়ায় তাও শিগগিরই উৎপাদনে যাচ্ছে বলে বিসিক সূত্র জানায়। সর্বশেষ এশিয়া প্লান্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি দীর্ঘদিন তাদের পটটি অর্ধেক ভবন নির্মাণ করে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখলেও বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রিটি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।
 শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা জানান, বৃষ্টিপাত হলে জলাবদ্ধতার কারণে হাটু পরিমাণ পানি বিসিক এলাকায় জমে থাকে। আবার প্রচ- বিদ্যুৎ সংকটে অনেক ইন্ডাস্ট্রি পণ্য উৎপাদনের লক্ষমাত্রা অর্জন করতে পারছে না। ফলে ইন্ডাস্ট্রিগুলো ব্যাংকঋণ পরিশোধ করতে না পারায় এখন লালবাতি জ্বলার উপক্রম হয়েছে। শিল্পনগরীর কর্মকর্তা সমীরন বড়–য়া জানান, যোগযোগ ব্যবস্থাসহ শিল্পায়নের জন্য সুন্দর পরিবেশ বিদ্যমান থাকলেও পর্যাপ্ত শিল্প প্লট না থাকায় আমাদের পক্ষে নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ায় সহায়তা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে ইন্দ্রপোল শিল্পাঞ্চলে বিসিকের মালিকানাধীন যে ৪ একর জায়গা রয়েছে সেখানে পট তৈরি করে নতুন শিল্প স্থাপনের লক্ষ্যে বিসিক ইতোমধ্যে প্রাথমিক জরিপ কাজ সম্পন্ন করেছে। এ ব্যাপারে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে নথিপত্র প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এ শিল্প ইউনিট বাস্তবায়িত হলে এখানে ১৮-২০টি নতুন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপন করা যাবে। এছাড়াও বর্তমানে বিসিকের পূর্ব পার্শ্বে যে বৃহত্তর খোলা জমি রয়েছে তা অধিগ্রহণ করেও শিল্প ইউনিট গড়ে তোলা সম্ভব। পটিয়ার সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী বলেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হবে। শিল্প উদ্যোক্তা পটিয়া পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ জানান, পটিয়ার বর্তমানে যে হারে শিল্পপ্রতিষ্ঠান হয়েছে এতে সরকার যেমন রাজস্ব পাচ্ছে তেমনি অনেক অসহায় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে সংশ্লিটরা যদি আরো উদ্যোগী হয় তাহলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র এ পটিয়া বৃহৎ শিল্পনগরীতে পরিণত হবে নিঃসন্দেহে।

Monday, April 1, 2013

Subject Code of Degree Pass Course


cwUqv miKvwi K‡jR
cwUqv, PÆMÖvg|
2012-13wkÿe‡l©i (3eQi †gqv`x) wWMÖx cvm 
                     †Kv‡m©i welq I welq †KvW mg~n:
‡Kv‡m©i bvg
‡Kv‡m©i AvIZvaxb welqmg~n
‡Kvm© †KvW
B.A
Benglai
English
History & Culture
Philosophy
Political Science
Or, Economics
301
306
411
431
451
441
B.S.S
Bengali
English
Economics
Political Science
Islamic History & Culture
or, Philosophy
301
306
441
451
411
431
B.B.S
Bengali
English
Economics
Accounting
Management
301
306
441
511
521
B.Sc
(MwbZ wefvM)
Bengali
English
Physics
Chemistry
Mathematics
301
306
531
541
621
B.Sc
(D™¢x` wefvM)
Bengali
English
Chemistry
Botany
Zoology
301
306
541
561
571